
নিজস্ব প্রতিবেদক | বুধবার, ১৯ আগস্ট ২০২৬ | প্রিন্ট | ১১ বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে

বাংলাদেশ ও ভারতের ব্যবসায়িক সম্পর্ক আরও জোরদার করতে বেনাপোল স্থলবন্দরে কার্গো হ্যান্ডেলিং আরও সহজীকরণ, প্রযুক্তি ও অবকাঠামোসহ দুই দেশের ব্যবসায়ীদের নিয়ে দুটি টাস্কফোর্স গঠনের প্রস্তাব দিয়েছে কনফেডারেশন অব ইন্ডিয়ান ইন্ডাস্ট্রি—সিআইআইর প্রতিনিধি দল। এই প্রস্তাবকে চমৎকার উদ্যোগ বলে অভিহিত করেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির।
৩ দিনের সফরে বাংলাদেশে এসেছেন ভারতীয় ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদল। মঙ্গলবার রাজধানীর মতিঝিলে এফবিসিসিআই কার্যালয়ে বাংলাদেশের ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদের সাথে বৈঠকে বসেন তারা।
পরে যৌথ সংবাদ সম্মেলনে সিআইআই প্রতিনিধিরা জানান, স্বাস্থ্য, প্রযুক্তি, এআই, সৌরশক্তিসহ আটটি খাতে বাংলাদেশে ব্যবসা সম্প্রসারণে আগ্রহী তারা। একইসঙ্গে শুল্ক ও অশুল্ক বাধা দূর করে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য বাড়াতে প্রস্তাব দেন দুটি টাস্কফোর্স গঠনের।
এসময় এফবিসিসিআই এর প্রশাসক ফজলুল হক জানান, দুই দেশের মধ্যকার শুল্ক ও অশুল্ক বাধা আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করে ব্যবসা সম্প্রসারণের বিষয়ে আশাবাদী উভয় দেশ।
এফবিবিসিআইয়ের প্রশাসক মো. ফজলুল হক বলেন, ‘বি টু বি টাস্কফোর্স। আমাদের কাজ হচ্ছে রেজাল্ট অরিয়েন্টেড। আমরা ঐ লোক দেখানো কাজকর্ম। ওটা মানে সরকারের মানে কাজের চাইতে আমাদের কাজের ধরনটা একটু আলাদা থাকে। সো আমরা আশা করব যে, আমরা এই টাস্কফোর্সও খুব দ্রুত গঠন করতে পারব এবং মানে তার চাইতেও বড় কথা হচ্ছে খুব স্বল্প সময়ের ভেতরে এই টাস্কফোর্সের যে সুবিধা, সেই সুবিধাটা যেন আমরা মানে আমরা জাতিগতভাবে গ্রহণ করতে পারি।’
এদিকে, সচিবালয়ে ভারতীয় ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদলের সাথে বৈঠক শেষে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বেনাপোল স্থলবন্দরের কার্যক্রম গতিশীল করতে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে। উদ্যোগ সফল হলে, দুই দেশের আমদানি-রপ্তানি খরচ কমবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির বলেন, ‘বেনাপোলে আমাদের সাইডে কার্গো হ্যান্ডলিংয়ের ক্ষেত্রে তারা আরও বেশি দক্ষতা প্রয়োজনীয়তাটা তুলে ধরেছেন। ল্যান্ড বর্ডার আসা-যাওয়ার ক্ষেত্রে মানে এটা আরও যদি ফ্যাসিলিটেট করা যেত, তাহলে তাদের পণ্য আনা-নেওয়ার খরচ কমতো। বিনিয়োগকারীরা সেই কথা তুলে ধরেছেন। ভারতীয় এবং বাংলাদেশের ব্যবসায়ীদের মধ্যে দুটো বিষয়ে টাস্কফোর্স করার, একটি হচ্ছে ইন্ডিয়ান ডিজিটাল ট্রান্সফরমেশন এখন যেভাবে হচ্ছে। আর আরেকটি হচ্ছে ইনফাস্ট্রাকচারের ক্ষেত্রে কীভাবে ভারতীয় বিনিয়োগকারীদের সম্পৃক্ত করা যায় বা ফিন্যান্স আনা যায়।’ দু’দেশের ব্যবসায়ীদের ভিসা প্রক্রিয়া সহজ করা নিয়েও আলোচনা হয় বৈঠকে।
