বুধবার ২৬শে আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১১ই ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শিরোনাম
মহানবীর জীবন ও আদর্শ অনুসরণ করে শান্তিপূর্ণ দেশ গড়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর সাংবাদিককে ‘আরও প্রফেশনাল ওয়েতে’ প্রশ্ন করার আহ্বান: তথ্যমন্ত্রীর রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন তিন বাহিনীর প্রধান সরকারের ১৪ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে, ফ্যামিলি কার্ড পাবে ৪১ লাখ পরিবার সম্পর্ক বজায় রাখতে গেলে পানির গেট খুলে দেয়া যাবে না: পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী রংপুরে ৪ হত্যাকাণ্ডে এসিডের ব্যবহার ও ধর্ষনের আলামত পাওয়া যায়নি রোহিঙ্গা পত্যাবাসন নিয়ে সরব দুই দেশ, কঠোর হওয়ার তাগিদ বিশেষজ্ঞদের সড়ক দুর্ঘটনায় তাৎক্ষণিক চিকিৎসাসেবা নিশ্চিতে নতুন উদ্যোগ সরকারের প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্টের চলমান কার্যক্রম নিয়ে বৈঠক জাতীয় নির্বাচনের থেকেও স্থানীয় সরকার নির্বাচনে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে সিইসি
Advertise with us

ওডিশা জাহাজ ডুবির পর থেকে নিখোঁজ সাতক্ষীরার মেরিন ইঞ্জিনিয়ার আল মামুন

নিজস্ব প্রতিবেদক   |   সোমবার, ২৪ আগস্ট ২০২৬   |   প্রিন্ট   |   ৬ বার পঠিত   |   পড়ুন মিনিটে

ওডিশা জাহাজ ডুবির পর থেকে নিখোঁজ সাতক্ষীরার মেরিন ইঞ্জিনিয়ার আল মামুন

ভারতের ওডিশা উপকূলের কাছে বঙ্গোপসাগরে পণ্যবাহী জাহাজ ডুবে যাওয়ার পর থেকে নিখোঁজ রয়েছেন সাতক্ষীরার মেরিন ইঞ্জিনিয়ার মো. আবদুল্লাহ আল মামুন। গত শনিবার (২২ আগস্ট) জাহাজডুবির পর ভারতীয় কোস্টগার্ড ও নৌবাহিনী উদ্ধার অভিযান চালালেও এখনো তার কোনো সন্ধান মেলেনি। পরিবারের সদস্যরা অপেক্ষা করছেন একটি ভালো খবরের আশায়।

নিখোঁজ আবদুল্লাহ আল মামুনের বাড়ি সাতক্ষীরা শহরের উত্তর কাটিয়া আমতলা এলাকায়। তার বাবা ডা. আব্দুর রহিম। গত এপ্রিলের শেষ দিকে পানামার পতাকাবাহী পণ্যবাহী জাহাজ ‘এমভি ওশান উইনার’-এ মেরিন ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে যোগ দেন তিনি।

পারাদ্বীপ বন্দর থেকে লৌহ আকরিক নিয়ে সিঙ্গাপুরের উদ্দেশে রওনা হওয়া জাহাজটি শনিবার বন্দর থেকে প্রায় ২৪০ নটিক্যাল মাইল দূরে ডুবে যায়। জাহাজটিতে ২৪ জন ক্রু ছিলেন। তাদের মধ্যে ২০ জন চীনের, তিনজন মিয়ানমারের এবং একজন বাংলাদেশের নাগরিক। জাহাজডুবির পর এখন পর্যন্ত দুজনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে।

মামুনের বড় ভাই আব্দুল্লাহ আল বাকি বলেন, ‘এখনো কোনো দিক থেকে কোনো আপডেট পাচ্ছি না। ইন্ডিয়ান কোস্টগার্ডের পেজে কখন আপডেট হয়, তারা কোনো ব্রিফিং করে কি না, সেটার জন্য অপেক্ষা করছি।’

তিনি জানান, শনিবার দুপুরের দিকে পরিচিত ব্যক্তিদের মাধ্যমে তাঁরা প্রথম জাহাজডুবির খবর জানতে পারেন। এরপর মামুনকে জাহাজে পাঠানো বিদেশি নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। কিন্তু তারাও এখন পর্যন্ত মামুনের অবস্থান সম্পর্কে কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্য দিতে পারেনি।

মামুনের বড় ভাই আরও বলেন, ‘আমার আম্মুর আগে থেকেই হার্টের সমস্যা আছে, আব্বুরও বয়স হয়েছে। মামুনের ঘটনা জানার পর থেকে পরিবারের সবাই মানসিকভাবে বিপর্যস্ত। মামুনের স্ত্রী কান্নায় ভেঙে পড়ছেন বারবার। সঠিক কোনো তথ্য জানতে পারছি না।’

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য হিন্দুর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শনিবার বেলা ১১টা ৪৮ মিনিটে ভারতের সামুদ্রিক উদ্ধার সমন্বয় কেন্দ্র জাহাজটির সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার খবর পায়। পরে কাছাকাছি থাকা বাণিজ্যিক জাহাজ ‘এমটি আইসোপোস’কে ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়। রাত আটটার দিকে জাহাজটি দুজনকে জীবিত উদ্ধার করে।

পরে নিখোঁজ নাবিকদের সন্ধানে ভারতীয় কোস্টগার্ডের ‘বরদ’ ও ‘আনমোল’ নামের দুটি টহল জাহাজ ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়। পরে ‘বিজিত’ নামের আরেকটি টহল জাহাজও উদ্ধার অভিযানে যুক্ত হয়। ভারতীয় কোস্টগার্ড ও নৌবাহিনীর যৌথ অভিযানে এখনো নিখোঁজ নাবিকদের সন্ধান চলছে।

পরিবারের সদস্যরা বলছেন, মামুনের সঙ্গে সর্বশেষ বৃহস্পতিবার রাতে কথা হয়েছিল। এরপর থেকেই তার সঙ্গে আর কোনো যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

Facebook Comments Box
Advertise with us
Advertise with us
আরও
Advertise with us

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

রবিসোমমঙ্গলবুধবৃহশুক্রশনি
 
১০১১১৩১৫
১৬১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭
৩০৩১ 

ফলো করুন দেশবার্তা-এর খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক
মো: সামসুদ্দীন চৌধুরী
সম্পাদকীয় কার্যালয়