বৃহস্পতিবার ৩০শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১৫ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শিরোনাম
বাংলাদেশ থেকে ৩ লাখ রোহিঙ্গা নিতে সম্মত হয়েছে মিয়ানমার তিন দিনের সফরে ঢাকায় আসছেন ট্রা‌ম্পের বিশেষ দূত সার্জিও গর মাইলস্টোন শিক্ষার্থীকে ডেকে ড্রোন সেট ও বল উপহার দিলেন প্রধানমন্ত্রী দুই দশকে সুন্দরবনে ৬২ বাঘের মৃত্যু,নিরাপত্তা নিশ্চিতে বন বিভাগের উদ্যোগ শিল্পখাতে গ্যাস সংকট সমাধানের আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর সহসাই কাটছে না দেশের গ্যাস সংকট তারেক রহমান-আনোয়ার ইব্রাহিম ফোনালাপ: গ্যাসসংকট নিরসনে সহায়তার আশ্বাস বাংলাদেশের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্ক যুক্ত হচ্ছে না: ডা. জাহেদ রাবিতে পাল্টাপাল্টি মারধরের ঘটনায় পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন হেপাটাইটিসমুক্ত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সম্মিলিত প্রচেষ্টার আহ্বান
Advertise with us

বাংলাদেশ থেকে ৩ লাখ রোহিঙ্গা নিতে সম্মত হয়েছে মিয়ানমার

নিজস্ব প্রতিবেদক   |   বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬   |   প্রিন্ট   |   ৮ বার পঠিত   |   পড়ুন মিনিটে

বাংলাদেশ থেকে ৩ লাখ রোহিঙ্গা নিতে সম্মত হয়েছে মিয়ানমার

বাংলাদেশ থেকে ৩ লাখ রোহিঙ্গাকে ফেরত নিতে সম্মত হয়েছে মিয়ানমার। বুধবার মালয়েশিয়ার পশ্চিম উপকূলীয় প্রদেশ নেগেরি সেম্বিলানের চেন্নাহ শহরে আয়োজিত এক জনসভায় এ তথ্য জানিয়েছেন মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম। তিনি জানান, সফল দ্বিপক্ষীয় ও কূটনৈতিক আলোচনার পর মিয়ানমার এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

২০১৭ সালের সামরিক অভিযানের পর বাংলাদেশে ১৩ লাখের বেশি রোহিঙ্গা আশ্রয় নেয়।সেই সময় বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী মিয়ানমারের রাখাইন প্রদেশের বেশ কয়েকটি পুলিশ স্টেশন ও সেনা ছাউনিতে একযোগে বোমা হামলা ঘটায় সশস্ত্র রোহিঙ্গা গোষ্ঠী আরাকান স্যালভেশন আর্মি (আরসা)। সেই হামলার প্রতিক্রিয়ায় আরাকানের রোহিঙ্গা অধ্যুষিত এলাকাগুলোতে ভয়াবহ অভিযান শুরু করে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী।

সেনা সদস্যদের নির্যাতন, হত্যা, ধর্ষণ, লুটপাট, বাড়িঘরে অগ্নিসংযোগের মুখে টিকতে না পেরে নাফ নদী পেরিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করতে শুরু করেন হাজার হাজার রোহিঙ্গা। বাংলাদেশের সরকারের পক্ষ থেকে তাদেরকে কক্সবাজারের টেকনাফ জেলার কুতুপালংয়ে আশ্রয় দেওয়া হয়। পরে জাতিসংঘ ও অন্যান্য দাতা সংস্থার পক্ষ থেকে তাদেরকে খাদ্য ও অন্যান্য সহায়তা প্রদান শুরু হয়। তারপর থেকে এখন পর্যন্ত এই ব্যবস্থাই চলে আসছে। বর্তমানে কুতুপালং শরণার্থী শিবিরে বসবাস করছেন ১৫ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা।

সম্প্রতি মিয়ানমারের জান্তা সরকার বাংলাদেশ থেকে ৩ লাখের পাশাপাশি মালয়েশিয়া থেকেও ৫ হাজার রোহিঙ্গাকে ফেরত নিতে সম্মত হয়েছে উল্লেখ করে জনসভায় মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমাদের নাগরিকরা বলতেন যে ‘রোহিঙ্গাদের ফেরত পাঠান, রোহিঙ্গাদের ফেরত পাঠান’, কিন্তু কোথায় আমরা তাদের ফেরত পাঠাতাম? মিয়ানমার তো তাদের গ্রহণ করতে রাজি ছিল না।”

মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী জানান, মিয়ানমারের সঙ্গে সতর্ক ও বিচক্ষণ কূটনীতির মাধ্যমে এই অগ্রগতি সম্ভব হয়েছে।

মালয়েশিয়াতেও রোহিঙ্গা শরণার্থীদের একটি বড় কমিউনিটি রয়েছে। জাতিসংঘের তথ্য অনুসারে, মালয়েশিয়ায় বর্তমানে আশ্রিত রোহিঙ্গার সংখ্যা প্রায় ১ লাখ ২৬ হাজার।

গতকাল চেন্নাহ’র জনসভায় মালয়েশিয়ায় আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের উদ্দেশে আনোয়ার ইব্রাহিম স্থানীয় আইন মেনে চলার নির্দেশ দেন এবং কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা করলে কঠোর ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি দেন।

মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমি এর আগেও সতর্ক করেছি এবং আবারও করছি। গতকাল পুলিশের মহাপরিদর্শকের সঙ্গে কথা বলেছি এবং নির্দেশ দিয়েছি যে শরণার্থী শিবির এবং অনুমোদিত এলাকাগুলো ব্যতীত অন্য কোথাও যেন তাদের উপস্থিতি চোখে না পড়ে।”

“এটা মালয়েশিয়া। তারা আমাদের বিরক্ত করতে পারবে না। যদি করে, পুলিশ সেক্ষেত্রে পদক্ষেপ নেবে।” সূত্র : দ্য স্টার

Facebook Comments Box
Advertise with us
Advertise with us
আরও
Advertise with us

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

ফলো করুন দেশবার্তা-এর খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক
মো: সামসুদ্দীন চৌধুরী
সম্পাদকীয় কার্যালয়