রবিবার ২৭শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১২ই আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শিরোনাম
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনের নির্দেশনা দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয় অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী প্রথম ভাষণ সুশীল সমাজ ও সাধারণ মানুষের প্রশংসা কুড়িয়েছে চাপে পরে নয়, দ্বিপাক্ষিক স্বার্থকে প্রাধান্য দিয়ে বোয়িং কেনা হচ্ছে: মাহদী আমিন কন্টেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিও ভাঙচুর ও লুটপাট জাতিসংঘ অধিবেশন শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী মানিকগঞ্জে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে বাসের ধাক্কায় কারারক্ষীর স্ত্রী-সন্তানের মৃত্যু রাজধানীর বনানীতে একটি বহুতল ভবনে আগুন বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্র কৌশলগত বেসামরিক পারমাণবিক সহযোগিতা চুক্তি সই করেছে প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগে,ভুল রাজনীতির খেলা থেকে সরে আসার আহ্বান জামায়াতে আমিরের সরকার সাইবার নিরাপত্তা আইনের আপত্তিগুলো বিবেচনা করবে: ডা. জাহেদ
Advertise with us

আজ পবিত্র আখেরি চাহার সোম্বা, ইতিহাস ও তাৎপর্য

নিজস্ব প্রতিবেদক   |   বুধবার, ১২ আগস্ট ২০২৬   |   প্রিন্ট   |   ৪০ বার পঠিত   |   পড়ুন মিনিটে

আজ পবিত্র আখেরি চাহার সোম্বা, ইতিহাস ও তাৎপর্য

আজ (বুধবার, ১২ আগস্ট ২০২৬), মহিমান্বিত ও তাৎপর্যপূর্ণ আখেরি চাহার সোম্বা। হিজরি বর্ষের সফর মাসের শেষ বুধবার বিশ্ব মুসলিম সমাজে ঐতিহ্যগতভাবে দিনটি ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের সাথে পালিত হয়ে আসছে। বাংলাদেশ, ভারত ও পাকিস্তানসহ উপমহাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে দীর্ঘদিন ধরে দিনটি ধর্মীয় ও সামাজিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে বিবেচিত হয়।

‘আখেরি চাহার সোম্বা’ শব্দের অর্থ ও পটভূমি: ‘আখেরি চাহার সোম্বা’ একটি ফারসি ও আরবি মিশ্রিত পরিভাষা। ফারসি ‘আখেরি’ শব্দের অর্থ শেষ, ‘চাহার’ শব্দের অর্থ চার বা চতুর্থ (এখানে সফর মাস নির্দেশক) এবং ‘সোম্বা’ শব্দের অর্থ বুধবার। অর্থাৎ শব্দগুচ্ছের পূর্ণ অর্থ দাঁড়ায়—সফর মাসের শেষ বুধবার।

ইসলামি ইতিহাস ও প্রচলিত বর্ণনা অনুযায়ী, মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) তার জীবনের শেষভাগে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন। সফর মাসের শেষ বুধবারে তার শারীরিক অবস্থার সাময়িক উন্নতি ঘটেছিল এবং তিনি গোসল শেষে সাহাবিদের নিয়ে সালাত আদায় করেছিলেন এমন বর্ণনাকে কেন্দ্র করেই উপমহাদেশে আখেরি চাহার সোম্বার প্রচলন ঘটে। তবে এই সংক্রান্ত ঐতিহাসিক কাহিনীর নির্ভরযোগ্যতা নিয়ে ইসলামি চিন্তাবিদ ও আলেমদের মাঝে কিছুটা মতপার্থক্য রয়েছে।

এ দিনটিকে কেন্দ্র করে দেশের বিভিন্ন স্থানে ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা নফল নামাজ, তিলওয়াত, জিকির, খাস দোয়া ও দান-সদকার মাধ্যমে সময় অতিবাহিত করেন। বিভিন্ন মসজিদ ও মাদ্রাসায় ধর্মীয় সভা ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করা হয়।

তবে নির্দিষ্টভাবে আখেরি চাহার সোম্বাকে কেন্দ্র করে বিশেষ কোনো নির্ধারিত আমল বা এর পৃথক ফজিলত ইসলামি শরিয়তে বর্ণিত আছে কি না, তা নিয়ে আলেমদের মধ্যে স্পষ্ট মতভেদ বিদ্যমান:

একাংশের মতে: নবীজি (সা.)-এর সাময়িক সুস্থতায় শুকরিয়া আদায়স্বরূপ নফল ইবাদত, দান-সদকা ও মিলাদ মাহফিল করা বরকতপূর্ণ।

অন্যান্য গবেষক আলেমদের মতে: কোরআন বা বিশুদ্ধ হাদিসে আখেরি চাহার সোম্বার জন্য বিশেষ কোনো ইবাদতের সুনির্দিষ্ট নির্দেশ বা বিশেষ মর্যাদা দেওয়ার ভিত্তি নেই। তাই যেকোনো সাধারণ নফল ইবাদত হিসেবেই দোয়া-কালাম পড়া উত্তম।

Facebook Comments Box
Advertise with us
Advertise with us
আরও
Advertise with us

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

ফলো করুন দেশবার্তা-এর খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক
মো: সামসুদ্দীন চৌধুরী
সম্পাদকীয় কার্যালয়