
নিজস্ব প্রতিবেদক | বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট ২০২৬ | প্রিন্ট | ৭ বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে

মহেশখালীর এলএনজি টার্মিনালে যান্ত্রিক ত্রুটি এবং বঙ্গোপসাগরে বৈরী আবহাওয়ার কারণে আমদানি করা তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) খালাস করতে না পারায় দেশজুড়ে গ্যাসের সংকট চরম আকার ধারণ করেছে।
বর্তমানে দেশে প্রতিদিন প্রায় ৩,৮০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসের চাহিদার বিপরীতে সরবরাহ কমে দাঁড়িয়েছে মাত্র ২,১০০ মিলিয়ন ঘনফুটে। এই বিশাল ঘাটতির কারণে রাজধানী ঢাকা, চট্টগ্রাম, নারায়ণগঞ্জসহ দেশের বিভিন্ন শিল্পাঞ্চল ও আবাসিক এলাকায় হাহাকার তৈরি হয়েছে।
এই দিকে কাতারের সঙ্গে গ্যাস চুক্তির জটিলতার কারণে এলএনজি আমদানি পূর্বের তুলনায় অর্ধেক হয়ে গেছে।
রাজধানীতে গ্যাস সংকটের তীব্রতা বর্তমানে অনেক বেশি বেড়েছে। উৎস থেকে গ্যাস সরবরাহ কমে যাওয়ায় গ্যাসের চাপ সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে গেছে।
বৃহস্পতিবারও (১৩ আগস্ট) রাজধানীর ফিলিং স্টেশনগুলোতে দেখা মিলেছে তীব্র গ্যাস সংকটের। সিএনজিচালিত যানবাহনগুলো নিয়ে চরম দুর্ভোগের শিকার পরিবহন মালিক ও চালকরা। অনেকেই ভোর থেকে অপেক্ষা করে গ্যাস পাচ্ছেন ২০ থেকে ৫০ টাকার।
বেশিরভাগ স্টেশনগুলোতে ‘গ্যাস নেই’ সাইনবোর্ড ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে। এতে ভোগান্তিতে পড়েছে সাধারণ মানুষ। তবে গ্যাস সংকটের কারণে অনেকেই গাড়িতে জ্বালানি নিচ্ছেন।
এদিকে, রাজধানীর অনেক জায়গায় দিনের বেশিরভাগ সময় বাসাবাড়িতে গ্যাস পাচ্ছেন না গ্রাহকরা। অনেক এলাকায় চুলা জ্বললেও রান্না করা সম্ভব হচ্ছে না। কোথাও কোথাও গ্যাস একেবারে মিলছেই না বলে অভিযোগ বাসিন্দাদের।
