
নিজস্ব প্রতিবেদক | মঙ্গলবার, ০৪ আগস্ট ২০২৬ | প্রিন্ট | ১১ বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে

দেশের জনপ্রশাসনের শীর্ষ পর্যায়ের পদে আবারও রদবদলের প্রস্তুতি চলছে। এ মাসে মন্ত্রিপরিষদ সচিব ও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিবের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের মেয়াদ শেষ হচ্ছে। চাকরির স্বাভাবিক মেয়াদ শেষ হওয়ায় ৩০ জুলাই গৃহায়ণ ও গণপূর্তসচিব মো. নজরুল ইসলামের পদটি শূন্য হয়েছে। বদলির কারণে খালি রয়েছে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সচিবের পদ।
এ ছাড়া প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিবের পদ নতুন সরকার আসার পর থেকেই শূন্য রয়েছে। অক্টোবরে অর্থ বিভাগের সচিব মো. খায়েরুজ্জামান মজুমদারেরও অবসরে যাওয়ার কথা।
এসব পদে নতুন নিয়োগের প্রক্রিয়া চলাকালে আরও কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পদ খালি হতে পারে। ফলে প্রশাসনের শীর্ষ পর্যায়ে নতুন করে পদায়ন ও দায়িত্ব পুনর্বিন্যাসের প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। এর ধারাবাহিকতায় সচিব ও অতিরিক্ত সচিব পর্যায়েও একাধিক রদবদল হতে পারে বলে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়-সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র জানিয়েছে।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা বলছেন, মেয়াদ শেষ হওয়ার পর চুক্তিতে থাকা কোনো কোনো কর্মকর্তাকে গুরুত্বপূর্ণ পদে আনার আলোচনা রয়েছে। আবার প্রশাসন ক্যাডারের নিয়মিত জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের মধ্য থেকেই নতুন পদায়ন দেওয়া হতে পারে বলেও কারও কারও মত। তবে সরকার শেষ পর্যন্ত কী সিদ্ধান্ত নেয়, তার ওপরই পরবর্তী পদায়নের চিত্র অনেকটা নির্ভর করবে।
এ বিষয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের ভাষ্য, মন্ত্রিপরিষদ সচিবসহ সচিব পর্যায়ের নিয়োগগুলো হয় সরকারের উচ্চপর্যায়ের সিদ্ধান্তে। সুতরাং সেখান থেকে সিদ্ধান্ত এলেই কেবল তাঁরা আদেশ জারি করেন। তাই কারা, কী হচ্ছেন, সেটা আগে থেকে বলা কঠিন।
এরই মধ্যে ২৯ জুলাই দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) নতুন সচিব হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন মো. সাইদুর রহমান খান। তিনি এত দিন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সচিবের দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। একই দিনে সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) সচিব হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন বাংলাদেশ রসায়ন শিল্প সংস্থার (বিসিআইসি) চেয়ারম্যান মো. ফজলুর রহমান। তাঁকে সচিব পদে পদোন্নতি দিয়ে এই পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
জনপ্রশাসনের কর্মকর্তাদের ভাষ্য, প্রশাসনের শীর্ষ কোনো পদে পরিবর্তন মানে শুধু একজন কর্মকর্তার বদলি নয়। এর সঙ্গে একাধিক মন্ত্রণালয় ও বিভাগের ধারাবাহিক পদায়নও জড়িয়ে থাকে। ফলে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পদে পরিবর্তন হলে প্রশাসনের উল্লেখযোগ্য অংশেই রদবদল দেখা যায়।
২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর থেকেই জনপ্রশাসনে বড় ধরনের পরিবর্তন শুরু হয়। ওই বছরের ৮ আগস্ট অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে থাকা অনেক সচিব ও জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাকে ওএসডি করা হয়, অনেককে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হয়। একই সঙ্গে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে নতুন কর্মকর্তাদের পদায়ন এবং অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়া শুরু হয়। সেই ধারাবাহিকতা এখনো চলছে। গত দুই বছরে কয়েক দফায় সচিব, বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসক (ডিসি) এবং বিভিন্ন সংস্থার প্রধানের পদেও বড় ধরনের পরিবর্তন এসেছে।
অন্তর্বর্তী সরকারের প্রথম ছয় মাসেই জ্যেষ্ঠ সচিব ও সচিব পদে ১৪ জন, গ্রেড-১ পদের ১ জন এবং অতিরিক্ত সচিব পর্যায়ের ১৯ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হয়। একই সময়ে জ্যেষ্ঠ সচিব ও সচিব পদে ২৩ জন, গ্রেড-১ পদের ২ জন এবং অতিরিক্ত সচিব পর্যায়ের ৫১ কর্মকর্তাকে বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) করা হয়। পরবর্তী সময়েও এ প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকে।
তবে শুরুতে বিভিন্ন চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ বাতিল করলেও পরে অন্তর্বর্তী সরকারই সচিবসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেয়। ২০২৪ সালের ১৭ আগস্ট একসঙ্গে ১৯৮২ ব্যাচের ৫ জন সাবেক অতিরিক্ত সচিবকে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়া হয়। পরে তাঁদের কয়েকজনের দপ্তরও পরিবর্তন করা হয়।
গত ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে বিজয়ী হওয়ার পর বিএনপি সরকার গঠনের ঠিক আগমুহূর্তে প্রশাসনের দুটি শীর্ষ পদে পরিবর্তন আসে। চুক্তিভিত্তিক নিয়োগে থাকা মন্ত্রিপরিষদ সচিব শেখ আবদুর রশীদ ও প্রধান উপদেষ্টার মুখ্য সচিব এম সিরাজ উদ্দিন মিয়া তিন দিনের ব্যবধানে স্বেচ্ছায় দায়িত্ব ছাড়েন। একই সময়ে চুক্তিতে থাকা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব নাসিমুল গনিকে মন্ত্রিপরিষদ সচিব করা হয়। প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব হিসেবে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়া হয় সাবেক সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তারকে।
এ মাসের মাঝামাঝি মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনির চুক্তির মেয়াদ শেষ হবে। অন্যদিকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব মো. এহছানুল হকের চুক্তির মেয়াদও চলতি মাসে শেষ হচ্ছে। তাঁরা দুজনই বিসিএস ১৯৮২ ব্যাচের কর্মকর্তা।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব সরকারের সর্বোচ্চ প্রশাসনিক পদ। তাই এ পদে কাকে দায়িত্ব দেওয়া হবে, তা নিয়ে সচিবালয়ে আলোচনা চলছে। একইভাবে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সচিব পদেও কে আসবেন, তা নিয়েও প্রশাসনে ব্যাপক আগ্রহ রয়েছে। কারণ, প্রশাসনের বদলি, পদোন্নতি ও পদায়ন হয় এই মন্ত্রণালয় থেকে। এসব পদে শেষ পর্যন্ত কাদের দায়িত্ব দেওয়া হয় এবং সরকার চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের বর্তমান ধারা অব্যাহত রাখে কি না বা নিয়মিত কর্মকর্তাদের মধ্য থেকে পদায়ন বাড়ানো হয় কি না, সেটিই এখন প্রশাসনের সবচেয়ে আলোচিত বিষয়।
২৯ শতাংশ সচিব চুক্তি ভিত্তিতে
জনপ্রশাসনে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ নতুন নয়। সব সময়ই কমবেশি তা হয়। কিন্তু সম্প্রতি শীর্ষ প্রশাসনিক পদে এ ধরনের নিয়োগের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। এ কারণে বিষয়টি প্রশাসনের ভেতরে-বাইরে বেশি আলোচনার জন্ম দিয়েছে। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে জনপ্রশাসনে মোট কর্মকর্তা ৬ হাজার ৬৯৭ জন। এর মধ্যে সচিব ও সমমর্যাদার পদে কর্মরত ৭৯ জন। এর মধ্যে ২৩ জন চুক্তিভিত্তিক নিয়োগপ্রাপ্ত। অর্থাৎ কর্মরত সচিবদের ২৯ শতাংশের মতো চুক্তিভিত্তিক।
অন্যদিকে বর্তমানে ১০ জন সচিবকে নিজ নিজ দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত রাখা হয়েছে। তাঁদের চাকরির নির্ধারিত মেয়াদ এখনো শেষ হয়নি। এ ছাড়া প্রশাসনিক কারণে একজন সচিবকে ওএসডি করা হয়েছে। বর্তমানে তাঁদের কোনো দাপ্তরিক দায়িত্ব ও কাজ নেই।
বর্তমানে চুক্তিভিত্তিক দায়িত্ব পালনকারীদের মধ্যে মন্ত্রিপরিষদ সচিব, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এবং জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব ছাড়াও আছেন নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব আখতার আহমেদ, ভূমি মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব এ এস এম সালেহ আহমেদ, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী, পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য (জ্যেষ্ঠ সচিব) মো. নেয়ামত উল্লাহ ভূঁইয়া, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেক, স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরী, শিল্পসচিব আব্দুন নাসের খান, কৃষিসচিব রফিকুল আই মোহাম্মদ, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. দেলোয়ার হোসেন, ধর্ম মন্ত্রণালয়ের সচিব মুন্সী আলাউদ্দিন আল আজাদ, স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মো. শহীদুল হাসান, বস্ত্র অধিদপ্তরের মহাপরিচালক সচিব মো. আবদুস সবুর, ভূমি আপিল বোর্ডের চেয়ারম্যান মো. আব্দুল্লাহ আল বাকী, ভূমি সংস্কার বোর্ডের চেয়ারম্যান এ জে এম সালাহউদ্দিন নাগরী, জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনের চেয়ারম্যান মকসুমুল হাকিম চৌধুরী, বাংলাদেশ হাওর ও জলাভূমি উন্নয়ন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক সি এম ইউসুফ হোসাইন, ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষের নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ মসিউর রহমান, কমিউনিটি ক্লিনিক স্বাস্থ্য সহায়তা ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এ কে এম ফজলুজ্জোহা, রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. সরওয়ার আলম এবং ওয়াক্ফ প্রশাসক সাফিজ উদ্দিন আহমেদ। এর বাইরে এনজিও–বিষয়ক ব্যুরোর মহাপরিচালক মোহাম্মদ জকরিয়াও সচিব পদমর্যাদায় দায়িত্ব পালন করছেন।
চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পাওয়া কর্মকর্তাদের মধ্যে বেশ কয়েকজন অনেক বছর আগে অবসরে গেছেন। সরকারি চাকরিতে অবসরের স্বাভাবিক বয়স ৫৯ বছর। বীর মুক্তিযোদ্ধাদের ক্ষেত্রে মেয়াদ আরও এক বছর বেশি। আইনে অবসরের পর চুক্তিভিত্তিক নিয়োগে কোনো বাধা নেই। সরকার প্রয়োজন মনে করলে যে কাউকে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দিতে পারে। কিন্তু দীর্ঘদিন আগে অবসরে যাওয়া কর্মকর্তাদের গুরুত্বপূর্ণ পদে নিয়োগ দেওয়ার বিষয়টি নিয়ে সচিবালয়ে নানা আলোচনা রয়েছে।
তবে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের পক্ষে প্রশাসনের একটি অংশের যুক্তিও রয়েছে। তাঁদের ভাষ্য, এসব কর্মকর্তার অনেকেই বিগত সরকারের আমলে সময়মতো পদোন্নতিবঞ্চিত হয়েছেন। পরে তাঁরা ভূতাপেক্ষ পদোন্নতি পেলেও বাস্তবে সচিব বা সমপর্যায়ের দায়িত্ব পালনের সুযোগ পাননি। সে কারণে তাঁদের অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে সীমিত সময়ের জন্য চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়া যৌক্তিক।
অন্যদিকে সমালোচকদের বক্তব্য, অতীতে অবসরের পরপরই প্রয়োজন অনুযায়ী চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়া হতো। এখন অনেক বছর আগে অবসরে যাওয়া কর্মকর্তাদেরও নিয়মিত প্রশাসনিক পদে ফিরিয়ে আনা হচ্ছে, যা প্রশাসনিক কাঠামো ও পদোন্নতির স্বাভাবিক ধারাকে প্রভাবিত করছে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে একজন অতিরিক্ত সচিব প্রথম আলোকে বলেন, দীর্ঘদিন প্রশাসনের বাইরে থাকা এসব কর্মকর্তার অনেকেই পরে ভূতাপেক্ষ পদোন্নতি ও আর্থিক সুবিধা পেয়েছেন। সরকার চাইলে তাঁদের নিয়ে ‘পরামর্শক পরিষদ’ গঠন করতে পারে বা বিশেষ দায়িত্বে কাজে লাগাতে পারে। কিন্তু নিয়মিত সচিব পদে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ বাড়লে প্রশাসনিক কাঠামোয় জটিলতা তৈরি হয়। একই সঙ্গে নিয়মিত কর্মকর্তাদের পদোন্নতির সুযোগ সংকুচিত হওয়ায় তাঁদের মধ্যে হতাশা তৈরি হয়। ওই কর্মকর্তা আরও বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সময় শীর্ষ পদে অতিরিক্ত চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দিয়ে প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনার যে অভিজ্ঞতা হয়েছে, তা ইতিবাচক ছিল না। অথচ এখনো একই ধরনের প্রবণতা দেখা যাচ্ছে।
চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের সঙ্গে সরকারের অতিরিক্ত ব্যয়ের বিষয়টিও সামনে আসছে। ২০১৫ সালের জাতীয় বেতনকাঠামো অনুযায়ী, একজন সচিবের মূল বেতন ৭৮ হাজার টাকা এবং জ্যেষ্ঠ সচিবের মূল বেতন ৮২ হাজার টাকা। এর বাইরে বাড়িভাড়া, সরকারি বাসভবন, সার্বক্ষণিক গাড়িসহ বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা রয়েছে। ফলে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ যত বাড়ে, সরকারের ব্যয়ও তত বৃদ্ধি পায়।
জনপ্রশাসনবিশেষজ্ঞ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের লোকপ্রশাসন বিভাগের সাবেক অধ্যাপক সালাহউদ্দিন এম আমিনুজ্জামান সম্প্রতি প্রথম আলোকে বলেন, খুব মেধাবী ও বিশেষায়িত জ্ঞানসম্পন্ন ব্যক্তিকে কাজে লাগাতে সীমিত পরিসরে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়া যেতে পারে। তবে এ ধরনের নিয়োগের সংখ্যা কোনোভাবেই বেশি হওয়া উচিত নয়। বেশি হলে জনপ্রশাসনে জটিলতা তৈরি হয় এবং পদোন্নতির প্রত্যাশায় থাকা নিচের স্তরের কর্মকর্তাদের মধ্যে হতাশা বাড়ে।
