
নিজস্ব প্রতিবেদক | সোমবার, ৩১ আগস্ট ২০২৬ | প্রিন্ট | ৭ বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে

রংপুরে একই পরিবারের চাঞ্চল্যকর চার খুনের মামলায় স্বীকারোক্তি দেওয়া আসামি সিদ্ধার্থ এবং মুগ্ধ দাসের প্রস্রাবের নমুনায় ডোপ টেস্টে মাদকের (ইয়াবা) অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি। ঘটনার ১০ দিনের মাথায় নেওয়া হয়েছিল স্যাম্পল। এদিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তিন দিনের রিমান্ড আবেদন করেছে তদন্ত সংস্থা।
সোমবার (৩১ আগস্ট) রংপুর মহানগর পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার (গোয়েন্দা) সনাতন চক্রবর্তী এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, রোববার বিকেলে কারাগার থেকে দুই আসামির ইউরিনের (প্রস্রাব) নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছিল। মাইক্রোবায়োলজি ল্যাবে পরীক্ষার পর তাদের ইউরিনে কোনো মাদকের অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি। তবে চুল এবং রক্তের কোনো আলামত নেয়নি তদন্ত সংস্থা।
তবে চিকিৎসকরা জানান, ইয়াবা বা অ্যামফিটামিনের অস্তিত্ব রক্ত ও লালায় এবং প্রস্রাবে পাওয়া যায় তিন দিন। চুলের ক্ষেত্রে তা ৯০ দিন পর্যন্ত পাওয়া যেতে পারে।
এদিকে, সিদ্ধার্থ এবং মুগ্ধ দাসকে আরও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য মামলার তদন্ত কর্মকর্তা জিন্নাত আলী আদালতে তিন দিনের রিমান্ডের জন্য আবেদন করেছেন।
গত ২১ আগস্ট ঘড়ির মাছুয়াপাড়ায় নিজ বাড়িতে খুন হন জেলা স্কুলের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তার স্ত্রী প্রীতিলতা, কন্যা আগামী চক্রবর্তী এবং পুত্র প্রিয়ম চক্রবর্তী। এই ঘটনায় সিদ্ধার্থ দাস এবং মুগ্ধ দাস নামের দুইজনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তারা আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।
