
নিজস্ব প্রতিবেদক | শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | প্রিন্ট | ১১ বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে

হোটেলে অগ্নিকাণ্ডের প্রায় ১ মাস হতে চললেও, এখনও কর্তৃপক্ষের অভিযানের ভয়ে তালাবদ্ধ কলকাতার কয়েকশো হোটেল-রেস্ট হাউজ। দুয়েকটি হোটেলে সিট মিললেও বাড়তি অর্থ খরচ করতে হচ্ছে বাংলাদেশিদের। দুর্গাপূজার আগে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে কি-না তাও জানা নেই কারও।
বাংলাদেশ থেকে চিকিৎসার উদ্দেশ্যে কলকাতা এসেছেন ঢাকার মিরপুরের বাসিন্দা সোহরাব উদ্দিন। প্রশাসনের ভয়ে নিউমার্কেটের বেশিরভাগ হোটেল-রেস্ট হাউজে তালা ঝোলায় মুকুন্দপুর এলাকায় একটি হোটেলে সিট নামক সোনার হরিণ পেয়েছেন তিনি। কিন্তু গুণতে হয়েছে অতিরিক্ত অর্থ। আছে অন্যান্য ভোগান্তিও।
সোহরাব উদ্দিন বলেন, মানুষ তো একটা বাজেটে আসে। এখানে এমন অবস্থা হয়েছে এক হাজার টাকার হোটেল ভাড়া এখন তিন হাজার টাকা হয়ে গেছে। এখানে এসে তো আমরা বিপদে পড়ে গেছি।
ভোগান্তির এখানেই শেষ নয়। অনেক হোটেলে সিট মিললেও, সেগুলো থেকে অতিথিদের যেকোনো সময় চলে যাওয়ার নির্দেশনাও দিচ্ছে কর্তৃপক্ষ।
পর্যটকরা জানান, এখানে এমন অবস্থা সকালে উঠলে বিকেলে বলে চলে যেতে। বিকেলে উঠলে সকালে বলে চলে যেতে।
আর শিখা ইন ট্র্যাজেডির প্রায় এক মাস হতে চললেও নিউমার্কেটের বেশিরভাগ হোটেল- রেস্ট হাউজ বন্ধ থাকায় কপালে চিন্তা ভাঁজ ব্যবসায়ীদের। আসন্ন দুর্গা পূজার আগে পরিস্থিতি ফের স্বাভাবিক হবে কিনা তাও জানা নেই তাদের।
তবে অনেকে আবার সাময়িক ক্ষতি হলেও হোটেল- মোটেলের নিরাপত্তায় পশ্চিমবঙ্গ সরকারের নেয়া কঠোর পদক্ষেপকে সাধুবাদ জানাচ্ছেন।
বাড়তে থাকা আবাসন সংকট সমাধানে বাংলাদেশ ও ভারত উভয় দেশের কর্তৃপক্ষকে পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান ভুক্তভোগীদের।
