
নিজস্ব প্রতিবেদক | বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬ | প্রিন্ট | ১৫ বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে

ঢাকার যানজট কমাতে সায়েদাবাদ আন্তঃজেলা বাস টার্মিনাল কাঁচপুরে স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। বাংলাদেশ নৌবাহিনী এ প্রকল্প বাস্তবায়ন করবে। এ লক্ষ্যে সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান চিটাগাং ড্রাই ডক লিমিটেডকে নিয়োগ দেওয়ার নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি।
বুধবার (৮ জুলাই) সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলন কক্ষে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এ প্রস্তাবে অনুমোদন দেওয়া হয়।
বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, আগামী চার মাসের মধ্যে কাঁচপুরে নতুন টার্মিনাল ব্যবহার উপযোগী করার নির্দেশনা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর। তাই প্রকল্পটি সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে (ডিপিএম) রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান চিটাগাং ড্রাই ডক লিমিটেড, বাংলাদেশ নৌবাহিনীর মাধ্যমে বাস্তবায়ন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
সূত্রটি জানিয়েছে, কাঁচপুর বাস টার্মিনালের শেড নির্মাণ, টিকিট কাউন্টার, টয়লেট এবং অফিস কক্ষসহ আনুষঙ্গিক স্থাপনা নির্মাণ’ শীর্ষক কাজটি সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে বাস্তবায়নের নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
জানা গেছে, ঢাকা মহানগরীর যানজট নিরসন ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা আধুনিকায়নের লক্ষ্যে সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল কাঁচপুরে স্থানান্তরের নির্দেশনা দেন প্রধানমন্ত্রী। এর পরিপ্রেক্ষিতে স্থানীয় সরকার বিভাগ ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনকে চার মাসের মধ্যে কাঁচপুরে প্রস্তাবিত টার্মিনাল ব্যবহার উপযোগী করতে প্রয়োজনীয় অবকাঠামো নির্মাণ ও অন্যান্য কার্যক্রম সম্পন্ন করার নির্দেশ দেয়।
নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রকল্পের কাজ শেষ করতে রাষ্ট্রীয় জরুরি প্রয়োজনে সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে (ডিপিএম) বাংলাদেশ নৌবাহিনীর মাধ্যমে রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান চিটাগাং ড্রাই ডক লিমিটেডকে কাজটি বাস্তবায়নের জন্য নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। প্রকল্পটির প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয়েছে ৬ কোটি ৮৮ লাখ ২ হাজার ৫৩২ টাকা।
প্যাকেজের আওতায় প্রায় ৪ হাজার ১২ বর্গমিটার প্ল্যাটফর্ম ঢালাই ও টাইলস বসানো, ১৫ হাজার ৫৭৩ কেজি প্রোফাইল শিট দিয়ে শেড নির্মাণ, ১২০টি টিকিট কাউন্টার, ৩২টি টয়লেট, অফিস কক্ষ, পার্টিশন এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় আনুষঙ্গিক স্থাপনা নির্মাণ করা হবে।
সংশ্লিষ্টরা মনে করেন, কাঁচপুরে নতুন বাস টার্মিনাল চালু হলে সায়েদাবাদ এলাকায় যানবাহনের চাপ কমবে এবং রাজধানীর পূর্বাঞ্চলের ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।
