বুধবার ২৩শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৮ই আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শিরোনাম
বলিউড অভিনেত্রী রানি মুখার্জির মা কৃষ্ণা মুখার্জি আর নেই বিশ্ববাজারে আবারও কমেছে অপরিশোধিত তেলের দাম শেরপুরে ১৪ কোটি টাকার কালোবাজারে বিক্রির অভিযোগ, ১৫ ডিলার কারাগারে ২০২৭ শিক্ষাবর্ষ শুরুর আগেই শিক্ষার্থীর হাতে পাঠ্যবই তুলে দিতে চায় সরকার সাংবাদিকতা হচ্ছে সত্যের আরাধনা, ত্য খুঁজে বের করা: কাদের গনি চৌধুরী ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের মতবিনিময় ডোনাল্ড ট্রাম্পের আমন্ত্রণে নৈশভোজে সস্ত্রীক যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী অবৈধ পানি সরবরাহকারীদের ৫ হাজার জার ধ্বংস করলো বিএসটিআই নাশকতার চেষ্টা নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সতর্কতামূলক ব্যবস্থা জাতিসংঘ প্রাতরাশে অংশ নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ও তার সহধর্মিণী
Advertise with us

ইলিশের দাম চড়া, এক কেজির দামে পাওয়া যাচ্ছে তিন মণ আলু

নিজস্ব প্রতিবেদক   |   বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬   |   প্রিন্ট   |   ৮ বার পঠিত   |   পড়ুন মিনিটে

ইলিশের দাম চড়া, এক কেজির দামে পাওয়া যাচ্ছে তিন মণ আলু

ইলিশের ভরা মৌসুম চলছে, কিন্তু নদীতে নেই কাঙ্ক্ষিত ইলিশ। সরবরাহ কম থাকায় চাঁদপুরের বিভিন্ন মাছের আড়ত ও বাজারে চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে জাতীয় মাছটি। এক কেজি ওজনের একটি ইলিশ কিনতে ক্রেতাকে গুনতে হচ্ছে ২ হাজার ৬০০ থেকে ২ হাজার ৮০০ টাকা। একই টাকায় পাওয়া যাচ্ছে প্রায় আড়াই থেকে তিন মণ আলু। ফলে ইলিশ এখন নিম্ন ও মধ্যবিত্তের অনেক পরিবারের নাগালের বাইরে চলে গেছে।

মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে চাঁদপুরের বড়স্টেশন মাছের আড়তে গিয়ে দেখা যায়, ইলিশের দাম বেশ চড়া। বড় আকারের ইলিশের সরবরাহ কম থাকায় দামও বেশি। ৬০০ থেকে ৭০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি প্রায় ১ হাজার ৫০০ থেকে ১ হাজার ৮০০ টাকায়। ছোট আকারের ইলিশের দাম ১ হাজার ২০০ থেকে ১ হাজার ৫০০ টাকা পর্যন্ত।

চাঁদপুর সদর ছাড়াও মতলব উত্তর, মতলব দক্ষিণ, হাইমচর ও ফরিদগঞ্জ উপজেলার মাছের বাজারেও একই চিত্র। অন্যান্য মাছের তুলনায় ইলিশের দাম বেশ চড়া।

কয়েকজন মৎস্য ব্যবসায়ী জানান, নদী থেকে ইলিশের সরবরাহ কমে যাওয়াই দাম বাড়ার অন্যতম কারণ। আড়তে মাছের পরিমাণ কম থাকলেও ক্রেতাদের চাহিদা রয়েছে। ফলে সরবরাহ কম এবং চাহিদা বেশি থাকায় বাজারে ইলিশের দাম বেড়েছে।

শুধু বাজারে নয়, নদীতেও ইলিশের সংকটের চিত্র দেখা যাচ্ছে। জেলেরা বলছেন, আগের মতো জালে ইলিশ ধরা পড়ছে না। অনেক সময় ঘণ্টার পর ঘণ্টা নদীতে অবস্থান করেও জালে আশানুরূপ মাছ উঠছে না।

অথচ মাছ ধরতে নৌকার জ্বালানি, শ্রমিক, বরফ ও খাবারের পেছনে প্রতিদিনই খরচ হচ্ছে। এতে অনেক জেলে লোকসানে পড়ছেন এবং কেউ কেউ পেশা পরিবর্তনের কথাও ভাবছেন।

এক জেলে বলেন, নদীতে মাছ না থাকলে আমাদের কষ্টটা কেউ বোঝে না। জাল ফেলতে যে খরচ হয়, অনেক সময় সেই টাকাটাও ওঠে না। মাছ পেলে সংসার চলে, না পেলে ধারদেনা করতে হয়। কিস্তি আর মহাজনের ঋণের টাকা ঠিকমতো পরিশোধ করতে পারছি না। ছেলে-সন্তানদের নিয়ে খুব অভাবে আছি।

ক্রেতাদের অভিযোগ, বাজারে ইলিশের দাম এতটাই বেড়েছে যে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের অনেকের পক্ষেই এখন ইলিশ কেনা কঠিন হয়ে পড়েছে।

এক ক্রেতা বলেন, এক কেজি ইলিশের দাম যদি আড়াই হাজার টাকার ওপরে হয়, তাহলে পরিবারে ইলিশ খাওয়ানো কঠিন। একই টাকায় অনেক কেজি আলু বা অন্য মাছ কেনা যায়।

মৎস্য ব্যবসায়ীরা বলছেন, নদীতে ইলিশের সরবরাহ বাড়লে বাজারে দাম কমতে পারে। তবে কবে নাগাদ ইলিশের সরবরাহ বাড়বে, তা নিশ্চিত করে বলতে পারছেন না তারা।

মৎস্য কর্মকর্তা মির্জা ওমর ফারুক বলেন, ইলিশের উৎপাদন বাড়াতে আমরা সব সময় প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নিয়ে থাকি। জাটকা সংরক্ষণ, নিষিদ্ধ সময়ে মাছ ধরা বন্ধ এবং অবৈধ জালের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। নদীতে ইলিশের বিচরণ ও সরবরাহ বাড়লে বাজারে দামও স্বাভাবিক হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

Facebook Comments Box
Advertise with us
Advertise with us
আরও
Advertise with us

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

রবিসোমমঙ্গলবুধবৃহশুক্রশনি
 
১০১১
১৩১৫১৬১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭৩০ 

ফলো করুন দেশবার্তা-এর খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক
মো: সামসুদ্দীন চৌধুরী
সম্পাদকীয় কার্যালয়